ডিউ
হাসান উজ জামান আনসারী ভিড়। চাইরো ওড়ে ভিড় কইরা খাড়া হইয়া আহে ভিড়। মানুষের ভিড়। রোগীঘারে ভিড়। রোগী লে যাওয়া চাক্কা ওয়ালা গাড়িগালার ভীড়। রোগীরাখে লিয়া খাড়া হইয়া রহা রোগীর গার্জেনঘারে ভিড়। ওয়াহারে হাতে হাতে কাগোজ আর রিপোটের থাইলার ভীড়। আর যেগলা চ্যাংড়ার পুঠ্ঠাতে ইনিসিন গাবিয়াহে ডাকতার, ওয়াহারে কানোনের ভিড়। আত্না ভিড়ের মইধেই যাই নিজেকে চাল্লাক ভাবে ওয়াই ডাক্তার, নাসনিঘারে সাথে ফাট ফাট কইরা বুলছে বাংলাতে। পুছ করছে, "বাহুত দিননে ওষুধ খাইছি ডাকতার কিন্তু কুনু রোকমেই প্যাটের বেদনা কমছে না।" কেহু কেহু ফের সিপ্পাত দেখিয়া নাসনীঘারে সাথে বুলছে ইংলিশে, " দিস ইজ নট দ্য ওয়ে টু ট্রিট আ পেশেন্ট, সিস্টার।" আর যারা নিজেকে মোটাবুদ্ধা ভাবে ওয়ারা খালি বুঝ-না-সুঝ য়্যার কাহে একবার জাইছে আর কোহিছে, "মুত চেক করার জাগাটা কুণ্ঠে আছে জি? নিচ্চের তাল্লাতে খাড়া হইয়াও ফের অন্যঝানার কাহে পুছ করছে "গ্রাউন্ড ফ্লোরটা কয় তালাতে হে?" আত্তা হাইঝাই এর মইধেই খাড়া হইয়া আহে সাফ্ফুল (সাফ্ফুলের দাদি বেলে দুটা খাসসি জাভাই কইরা ওয়ার নাম রাইখাললো সাইফুল। কিন্তু গাঁওয়ের মানুষের মুখে ভালো...