সামটাহা

জেরোম ক্লাফকা জেরোম

অনুবাদ- হাসান উজ জামান আনসারী

[জেরোম ক্লাফকা জেরোম (১৮৫৯-১৯২৭) হলেন ইংরেজি সাহিত্যের একজন স্বনামধন্য লেখক ও রম্য রচনারকার। তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা 'থ্রি মেন ইন অ্যা বোট'। 'সামটাহা' গল্পটি 'থ্রি মেন ইন অ্যা বোট' উপন্যাসের একটি অধ্যায়ের কালিয়াচকের ভাষায় অনুবাদ মাত্র। 

আর পাঁচটি গ্রামীণ ভাষাগুলোর মতোই হারিয়ে যেতে বসেছে কালিয়াচকের মানুষের মুখের ভাষাটিও। এই অনুবাদের মাধ্যমে কালিয়াচকের ভাষাটিকে যথা সম্ভব অবিকৃত রেখে ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। ]


হামি কহিনু, হামি সামটাবো।

হামার নিজের গোছাহা- সামটাহার উপ্রে হামি নিজেই গর্ভ করি। পিরথিবীতে যাত্তা মানুষ বাঁইচা আহে, হামার মনে হয় গোছাহা-সামটাহাই হইল এমন একটা কাম যেটা হামি অন্য সভারুরনে বেশি পাসিন কইরা করতে পারি (এগলা ভাইবাই হামি কুনু কুনু সোময় অবাক হোয়্যা যায় যে এরোখম বাহুত কামই আহে যেগলা হামি সভারুরনে বেশি জানি)। জর্জ আর হ্যারিসখে গোছিয়া বুঝাইনু আর কইহা দিনু কী ব্যাগ সামটাহার পুরা ভার হামার উপ্রে ছাইড়া দিয়া দেখুক কাত্তা পাসিন গুছাই হামি। হামি কহার সাথে সাথেই রাজি হইয়াললো ওয়ারা দু'ঝানা। মুখ দেখা মনে হইছে প্যাটের মইধে কিন্তু আহে ওয়াহারে। জর্জ ইজি-চেয়ারে হেলান দিয়া শুতলো আর হ্যারিস টেবিলের উপ্রে পায়ে পাও রাইখা সোফাতে আরাম কইরা বসল।


কী করছি হে তোরা? এরোখম কইরা কী কেহু ব্যাগ সামটায়?"

আর যে'ই হোক এরখমটা চাইহান্নু না হামি। হামি ভাইভান্নু কী মালিকের মতোন হামি খালি ওয়ারাখে কোহবো আর ওয়ারা হামার কথা শুইনা শুইনা খাটবে। হামি ওয়ারাখে কহিতুক, "কী করছি হে তোরা? এরোখম কইরা কী কেহু ব্যাগ সামটায়?" "আত্তা মোটাবুদ্ধা হইলে হইবে, ব্যাগও সামটাইতে পারছিত না, দেখা লে হামার কাহে ক্যামান কইরা ব্যাগ সামটাই।" "ওই তো হে, ভালো কইরাই কইরা দিলি।"- যাকে কহে শিখিয়া ছাইড়া দিতুক একদাম। কিন্তু ওয়ারা যেরখোম কইরা হামার দিকে দেখা বইসাছে দেখায় ঘিন লাহে। হামি যখন কুনু কাম করি আর কুনু কাম নাই কইরা মানুষ যখন হামাখে দেখে তখন জু হামার ঘিনিয়া যায় পুরা।

একবার একঝানার সাথে রহিছুনু হামি। ওয়াইও এরখোম কইরা কইরা দেখা হাংখে পাগলা কইরা দেহেললো পুরা। হামি যদি কিচ্ছু করতুক তো ওয়াই কুনু কাম নাই কইরা ঘান্টার পর ঘান্টা সোফাতে সুইতা সুইতা চোখ লিঝিয়া হাংখে দেখতোক খালি। হাংকে ভুল-ভাল কম করতে দেখ্যা বেলে ওয়াখে বাড্ডা পাসিন লাগে।

কিন্তু হামি এক্ষি জারাও ওয়ার মতোন নাহি। বাণী-দাসীর মতোন কেহু কুনু কাম করলে, হামি এক জাগাতে বইসা রোহিতে পারিনা। পকেটে হাত ঢুকিয়া ওয়ার চাইর দিকে বানবান কইরা ঘুরতে রহি আর ওয়াখে বাতিয়া দি যে কাম ক্যামান কইরা করতে হয়। এরখোমই কামাসূত মানুষ হামি। কাম নাই কইরা রহিতে পরিনা।

এয়ার পরেও হামি কেহুকে কিচ্ছু নাই কহিয়ায় সামটাইতে শুরু কইরা দিনু। অবোশ্য যাত্তাখোন সোময় লাগবে কইহা ভাইবাছিনু তারনে বেশি সোময় লাগল ব্যাগটা সামটাইতে। ব্যাগ গোছাইতে গোছাইতে খাস্তিয়া গেনু সাই ব্যাগ সামটিয়া ব্যাগের চেন লাগিয়া ব্যাগের উপ্রেই বইসা গেনু।

হ্যারিশ ফট কইরা বুইলা উঠল, "ম! জুত্তা ব্যাগের মইধ্যে রাখভি না কি হে?"

ব্যাগনে অন্যদিকে চোখ ফিরাইতেই দেখতে পাইনু, জুত্তা ব্যাগে ঢুকাইতেই ভুইলা গেহি। হ্যারিশটা ওরখোমই! যাত্তাখোন ব্যাগ গোছিয়া চেন বান কইরা দিনু তাত্তাখোন একটা চালাও করেনি ওয়াই। আর এখনিকা দেখনা, বুলছে কাত্তা! আর জর্জ মোটা বুদ্ধার মতোন দাঁত ফাড়কিয়া হাসতে লাগল।  আর ওয়াহারে এরখোম ব্যবহারে আরো পাগলা হইয়া গেনু জানকি।

দাঁত ঘষা ব্রাশ হইল এমনই একটা জিনিস যেটা হামি যখনই ঘুরতে বারহাই তখোনই হামার জিন্দেগীকে জাহান্নাম বানিয়া দ্যায় একদাম। ঘুরতে যাওয়ার আগের দিন রাইতে স্বাফনাতে দেখি যে হামি জানকি হামার দাঁত ঘষা ব্রাশ ব্যাগে ঢুকাইনি। খাতারনাক ওই স্বাফনা দেখা ঘাইমা-ঘুইমা-লাইহা তো হামার নিন ছুইটা জাইতোক। সাই খাটনে উইঠা ব্রাশ ধুইড়া আগেভাগে ব্যাগে ঢুকিয়া দিতুক। ফের যখোন ব্যহানে দাঁত ঘোষতের দারকার পড়তোক তো ব্যাগনে ফের বাহির করতুক। ব্যাগনে বাহির কইরা ঢুকাইতে ভুইলা যাইতুক। কাম খারাপের এক শেষ যাকে কহে! বাড়িনে বারহিয়া যখোন মনে পড়তোক যে দাঁত ঘষা ব্রাশ ব্যাগে ধুয়াকাইনি তো ফের দৌড়িয়া দো'তালাতে যাইয়া রুমালে মুড়িয়া পকেটে ঢুকিয়া ইস্টিশিনে যাইতে হয়তোক।

আর একবার চাইর দিকে মুখ তাকিয়া দেখনু ব্রাশটা কুনু জাগাতে আহে কি না। সাব কিচ্ছুর মইধে দেখনু কিন্তু পাইনু না। মিজাজ সানকিয়া গেল হামার! পিরথিবী সৃষ্টির সোময় জেরখম সাব কিছু উলটা-পাল্টা হইয়া আহাললো, ওইরোখম ব্যাগের মইধে যাত্তা জিনিস পত্র আহাললো সাব ছিটির-ছান কইরা ধুইড়া ফেল দিনু। হ্যারিশ আর জর্জের ব্রাশ ছাত্তিস বার কইরা দেখতে পাইনু কিন্তু হামার নিজেরটা পাইনু না। ফের কি করনুকি, এক-এক কইরা সাব কিচ্ছু ব্যাগে ঢুকিয়া দিনু আর ঝাইড়া ঝাইড়া দেখুন কি কুনু কিচ্ছুর মইধে ঢুইকা আহে কি নাই। আত্তা কিচ্ছুর পর ফুল জুত্তার মইধে পাইনু ব্রাশটা। তো ফের ঢুকাইনু ব্যাগের মইধে।

যখোনই ব্রাশটা ঢুকিয়া ব্যাগ বান করনু, তখোনই ফাট কইরা জর্জ কোহিলে, "সাবুনটা ঢুকিয়াচিৎ কী?" হামি কোহিনু কি, সাবুন লেহি কি নাই লেহি দেখতে ভাল্লাগছেনা আর। কহিয়ায় বান কর দিনু ব্যাগটা। ব্যাগ বান করতেই ফের মনে পড়লো, "আগ্গে মাগে, ব্যাগের মইধে তো হামি হামার চশমাটা ঢুকিয়া রাইখা দেহি। ফের ব্যাগ খুইলা বাহির করনু চশমাটা। এরখম করতে করতে রাইত সাড়ে দাশটাতে যাইয়া হামার ব্যাগ গোছাহা হইল। খাইদের থাইলা গোছাইতে এখনিকাও বাকি আহে ফের।

হ্যারিশ এগলা দেখা কোহিলে তুমি জেরখম কইরা করলা ভাই, দেখা মনে হইছে বারো ঘান্টা আগেনে হামরাখে কাম শুরু করতে হইতোক। আর কোহিলে কি ওয়ারা দু'ঝানা মিলা খাইদের থাইলা গোছাইবে। হামি কোহিনু, ঠিক আহে করো তেবে তোমরা। ওয়াহারে কথা শুইনা হামি বইসা গেনু আর ওয়ারা কাম শুরু কইর দিলে।

হামাখে দেখিয়া ফুরফুরাহা দিলে খাইদের থাইলা গোছাইতে শুরু কইরা দিলে ওয়ারা। আর হামাকে দেখিয়া দেখিয়া গোছাইতে লাগল এই কইহা কি কাম কামান কইরা করতে হয় দেখা লাও। হামি টু কইরা চালাও করনু না। খালি এক পাহার রাহা দেখতে লাগনু। জর্জখে যদি বাদ দিয়া কহি তো দুনিয়ার সাবনে খারাপ ব্যাগ-বুগ-সামটাহার মানুষ যদি কেহু হয় তো ওয়াই হইল হ্যারিশ। হামি খালি কাপ দেখতে লাগনু, পেলেট দেখতে লাগনু, কেটলি আর বোতল দেখতে লাগনু, চুলহা আর কেক আর টামাটোল দেখতে লাগনু। আর ভাবতে লাগনু খুব জলদিই মাজাদার কিচ্ছু হইতে চইলাছে।


ফিকঘৰ
হামি টু কইরা চালাও করনু না। খালি এক পাহার রাহা দেখতে লাগনু।

আর হইলোও ওরখোম।  ওয়ারা আকাম শুরু করলে চায়ের কাপ ভাইঙা। আর ওই আকামই হইল ওয়াহারে পাহিলা কাম। কাপ ভাইঙা ওয়ারা আস্সালে দেখাইতে চাহিলে কি ওয়ারা কি, কি করতে পারে আর কিরখম কইরা সভাইখে মাজা দেখাইতে দিতে পারে।

ওগলার পর হ্যারিস হাফ-ব্রেনের মতোন টামাটোলের উপ্রে স্ট্রবেরি জ্যামের জার রাইখা দিলে। ওমনি টামাটোল থেঁতলিয়ালো। তো ফের কি আর করবে, লেলুহার মতোন চায়ের চামুচ দিয়া থেঁতলাহা টামাটোলকে উঠিয়া বাহিরে ফেলতে হইল।

হ্যারিসের পর আইল জর্জের দান। জর্জ উদমার মতোন কুনু কিচ্ছু নাই দেখা হাঁটতে যাইয়া পায়ের নীচে মাকখান কুচলিয়া দিলে। হামি টুঁ কইরা একটা শোব্দও করনু না। খালি যাইয়া টেবিলের এক সাইডে সামটিয়া বসনু আর ওয়াহারে লাগাড় দেখতে লাগনু। হামাখে টেবিলের সাইডে বসতে দেখা ওয়াহারে জু জ্বইলালো আর ওয়ারা ডারিয়ালো ভি। আর মাঝিয়ার উপ্রে চহিড়া দাঙড়িয়া দিলে। আর করলে কি ওয়ারা নিজের পিচ্ছেই জিনিসগালা এমুন কইরা রাখলে যে নিজেরাই ধুইড়া পাইলে না। আর পিঠাখে ঢুকিয়া দিলে সাবনে নীচে। পিঠা সাবনে নীচে রাইখা ওয়ার উপ্রে ভারী জিনিসগালা রাইখা দিলে আর ওগলার চাপে পিঠাগালা চুইরাল।

ওয়ারা সাব কিচ্ছুর উপ্রে নুন ছিটকিয়া দিলে, এম্যান কি মাকখানের উপ্রেও। জুত্তানে মাকখান ছুটিয়া জর্জ আড়ুল্লার মতোন কেটলির মইধে ঢুকিয়া দিলে। কেটলির মইধে জুত্তা ঢুকছোলো না কুনু রোকম কইরাই আর এখখিবার যে ঢুকল তো বাহির করতে জান বাহির হইয়া জাইছিলো জানকি। তাউভি ওয়ারা টাইনা হিচড়িয়া বাহির কইরা চ্যারের নীচে রাইখা দিলে। আর মোটাবুদ্ধা হ্যারিস বুঝ-না-সুঝ ঐটার উপরে যাইয়া থাসকান মাইরা বইসাল। আর সাই কারণে জুত্তা ওয়ার পুট্ঠাতে চিপকিয়া গ্যাল। কাত্তা কানা আহে ওয়ারা কি, জুত্তা হ্যারিসের পুট্ঠাতে দেখতে নাই পাইয়া পুরা ঘরে ওয়ারা ধুড়তে লাইগালো।

"কিরা কাইটা কহিছি, জুত্তাটা হামি চ্যারের নিচ্চেই তো রাখনু হে" খালি চ্যারের দিকে দেখ্যা জর্জ কহিলে।

"এক ঘাড়ি আগেও তো দেখনু, তুই ওঠ্ঠে রাখলি জুত্তাটা, কিন্তু এখনি কই?" হ্যারিস পুছ করলে।

ফের ওয়ারা ঘরের চাইর দিকে ঢুঁড়তে ঢুঁড়তে খাস্তিয়াল, তাউভি ঢুঁইড়া পাইল না। ঢুঁইড়া নাই পাইয়া দুঝানা ঘরের মাঝামাঝিতে আইসা দু-ঝানা, দু-ঝানাকে দেখতে লাগল। 

"কুনু কালানে তো হামি এরোখম শুনিনি যে জুত্তা রাখলে জুত্তা উপিয়া যায়।", জর্জ বুইলা উঠল।

"আসাম্ভাব বেপার!", হ্যারিস কহিলে।

জর্জ পুরা ঘরে ঘুরতে ঘুরতে  ধুড়তে যাইয়া হ্যারিসের পুঠ্ঠাতে চিপকিয়া যাওয়া জুত্তাটা দেখতে পাইয়া চিল্লিয়া উঠলে, "পুঠ্ঠাতে লিয়া ঘুরলে কী আর ধুইড়া পাওয়া যায়?" 

জর্জের কথা শুইনা চামকিয়া যাইয়া পিছে মুইড়া হ্যারিস কহিলে, "কুণ্ঠে হে? কার পুঠ্ঠাতে?"

"এক জাগাতে খাড়া হইতে পারছিত না কি? খাড়া হ আগে এক জাগাতে।" চিল্লিয়া ধুমধাম লাগিয়া দিলে জর্জ। মোটাবুদ্ধার মতোন হ্যারিসের পুঠ্ঠানে জুত্তা ছুটিয়া জর্জ কেটলির মইধে ঢুকিয়া রাইখা দিলে।

অবোশ্য হাংরে কুত্তা মন্টেশরী এগলার মইধেই আহাললো। মন্টেশরীর কামই হইল ঝুট-ঝামেলার মইধে ঢুইকা ব্যাড় লাগাহা আর খালি গালি খাওয়া। যেঠ্ঠে ওয়াখে কুনু দরকার নাই, দ্যাখ কি ওট্ঠেই ওয়াই গুড়িমুড়ি কইরা বইসা আহে। আর ওরখোম কইরা বইসা রইহা মানুষখে পাগলা কইরা দায়। আর মন্টেশরীও ভাবে যে যাত্তাখোন না ওয়ার উপ্রে কেহু কিচ্ছু চলিয়া মাইরাছে তাত্তাখোন ওয়ার জু সালতান হইবে না।

কুত্তাটার জীবনের সাবনে বড়ো লক্ষ্য হইল মানুষের কাছে খালি গালি খাওয়া। কাহুর পায়ের নিচ্ছে যাইয়া সুইতা ওয়াখে ঠ্যস খিলিয়া ফেলা ওয়ার কাহেনে গালি শুনাই ওয়ার জীবনের সাবনে বড়ো মাকসাদ। সাই গালি ভি দায় মানুষ অখে। মানুষ যাত্তা গালি দায় ওয়াই ওত্তাই জিদাহা হইয়া উঠে। আর যাত্তা জিদাহা হইয়া উঠে তো ওত্তাই ফের সভারুর পায়ের নিচ্ছে যাইয়া ঘুইরা ঘুইরা মানুষখে সান্তায়।

এলা দেখতে দেখতে ওয়াখে ফ্রাইয়িং প্যান চালিযা মাইরাও দিলে হ্যারিস।

যে জিনিসটা সামটাইতে হইবে ওই জিনিসটার উপ্রে আইসাই ওয়াই বৈসা যায়। আর ওয়াই মনে হয় সাত দুনিয়ার কিরা কাইটা লে হে কি, যখনই হ্যারিস আর জর্জ কুনু জিনিসে হাত দিবে তখনই ওয়াই ওয়ার ভিজ্যা স্যাতস্যতাহা মুখটা লিয়া যাইয়া ওয়াহারে হাতের কাহে ভইরা দিবে। আর করবে কি, জ্যামের মইধে পাও ঢুকিয়া বইসা রহিবে মোটা হোসের মতোন। চামুচগালা লিয়া খেলবে আর নেমুখে চুহা ভাইবা ওয়াহারে পিছে পিছে দৌড়িয়া বাড়াইবে আর দৌড়াইতে দৌড়াইতে খাইদের থাইলার মইধে যাইয়া হুড়মুড়িয়া পইড় যাইবে। একখিটা মানুষ সহিবে তো সহিবে কাত্তাক্ষণ? এলা দেখতে দেখতে ওয়াখে ফ্রাইয়িং প্যান চালিযা মাইরাও দিলে হ্যারিস।

হ্যারিস কহিলে হামি বেলে উস্কিয়াছি ওয়াখে। কিন্তু আমি তো উস্কায়নি মন্টেশরীখে। মন্টেশরীর মতোন একটা উদমা কুত্তাখে উস্কাহার কুনু দরকার হয় না। জন্মনেই ওয়ারা ওরখোম বেদ্দাড় হয়।

আত্না কিচ্ছুর পর যাইয়া ওয়াহারে থাইলা সামটাহা হইল রাইত সাড়ে বারোটাতে। থাইলা সামটাইতে সামটাইতে হ্যারিস খাস্তিয়া যাইয়া ব্যাগের উপ্রেই থাসকান মাইরা বইসাল। আর কহিলে কি ওয়াই বেলে একখিটাও সামান ভাঙেনি। জর্জ কহিলে, যুদি কুনু জিনিস ভাইঙা রহে তো, ভাইঙা রহুক। হামার কিচ্ছু দেখার নাই! কোহিয়ায় ফের কহিলে কি ওয়ার বেলে নিন লাহে। ব্যহানে হামরাখেও উঠতে হইবে কহিয়া হামরা তিনঝনায় জলদি কইরা শুততে চইলা গেনু।


(পাসওয়ার্ড পত্রিকায় প্রকাশিত)

Comments

Popular posts from this blog

The Little Prince

কালিয়াচকের জোলহা সম্প্রদায়ের বিবাহরীতি